Show Posts in

মানবদেহে খনিজ লবণের প্রয়োজনীতা, উৎস এবং অভাবজনিত রোগ

দেহের গঠন ও সুস্থতা রক্ষায় প্রয়োজনীয় উপাদান হচ্ছে খনিজ লবণ। প্রতিদিন খাবারের সঙ্গে আমরা লবণ খাই। এ লবণকে খাদ্যলবণ বলে। খাদ্যলবণ ছাড়া আরও অনেক লবণ আছে,যা আমাদের দেহের জন্য প্রয়োজনীয়। দেহকোষ ও দেহ তরলের জন্য খনিজ লবণ একটি অত্যাবশ্যকীয় উপাদান। ক্যালসিয়াম, সোডিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস, ক্লোরিন, আয়োডিন, লৌহ, সালফার …

ভিটামিনের উৎস, গুরুত্ব, এবং অভাবজনিত রোগ

যে বিশেষ জৈব পরিপোষক সাধারণ খাদ্যে অতি অল্প পরিমাণে থেকে দেহের স্বাভাবিক পুষ্টি ও বৃদ্ধিতে সহায়তা করে এবং রোগপ্রতিরোধ শক্তি বৃদ্ধি করে, তাকে ভিটামিন বলে। খাদ্যে শর্করা, আমিষ, স্নহ পদার্থ, খনিজ লবণ ছাড়াও আরও কতগুলো সূক্ষ্ম উপাদান রয়েছে। এর অভাবে শরীর নানা রোগে (যেমন- রাতকানা, বেরিবেরি, স্কার্ভি ইত্যাদি) …

তেল বা স্নেহ জাতীয় খাদ্যের গুরুত্ব, উৎস এবং অভাবজনিত রোগ

স্নেহ পদার্থ কে শক্তি উৎপাদনকারী উপাদান বলা হয়। খাদ্যে ২০ প্রকার চর্বি জাতীয় এসিড পাওয়া যায়। চর্বি জাতীয় এসিড দুই প্রকার। যথা- ১. অসম্পৃক্ত চর্বি জাতীয় এসিড ও ২. সম্পৃক্ত চর্বি জাতীয় এসিড। যে স্নেহ জাতীয় খাদ্যে অসম্পৃক্ত চর্বি জাতীয় এসিড বেশি থাকে তা বেশি উপকারী। যেমন- সয়াবিন …

আমিষ বা প্রোটিনের উৎস, গুরুত্ব, এবং অভাবজনিত রোগ

আমিষ আমাদের দেহ গঠনকারী উপাদান। আমিষ হলো অ্যামাইনো এসিডের একটি জটিল যৌগ। পরিপাক প্রক্রিয়া দ্বারা এটি দেহে শোষণ উপযোগী অ্যামাইনো এসিডে পরিণত হয়। অ্যামাইনো এসিড নাইট্রোজেন দ্বারা গঠিত যৌগ।  দেহের বৃদ্ধি, ক্ষয়পূরণ ও নাইট্রোজেনের সমতা রক্ষার জন্য কয়েকটি অ্যামাইনো এসিড অত্যন্ত প্রয়োজন। এগুলোকে অত্যাবশ্যকীয় অ্যামাইনো এসিড বলে। অত্যাবশ্যকীয় …

শর্করা জাতীয় খাদ্যের গুরুত্ব, উৎস, এবং অভাবজনিত রোগ

শর্করা/শ্বেতসারঃ আমাদের দৈনন্দিন খাদ্যের বিভিন্ন উপাদানগুলোর মধ্যে শর্করার পরিমাণ সবচেয়ে বেশি থাকে। শর্করা শক্তি উৎপাদনকারী খাদ্য এবং সহজপাচ্য। শর্করা দেহের কর্মক্ষমতা যোগায়। গ্লুকোজ এক ধরনের সরল শর্করা। সব শর্করাই কার্বন, হাইড্রোজেন ও অক্সিজেন এই তিনটি মৌলিক উপাদানের সমন্বয়ে গঠিত। শর্করার প্রথম ও প্রধান কাজ হলো শক্তি উৎপাদন করা। আমাদের …

খাদ্যের উপাদান কয়টি ও কি কি

খাদ্য অনেকগুলো রাসায়নিক উপাদানের সমন্বয়ে গঠিত। এ রাসায়নিক উপাদানগুলোকে খাদ্য উপাদান বলা হয়। কেবলমাত্র একটি উপাদান দিয়ে গঠিত এমন খাদ্যবস্তুর সংখ্যা খুবই কম। এভাবে উপাদান অনুযায়ী খাদ্যবস্তুকে ছয় ভাগে ভাগ করা হয়েছে যথা- শর্করা, আমিষ, স্নেহ বা তেল, খাদ্যপ্রাণ বা ভিটামিন, খনিজ লবন এবং পানি। ১. শর্করা বা …

খাদ্যের কাজ কি? খাদ্যের শ্রেণীবিভাগ, কতপ্রকার কি কি?

সুস্থ শরীর বজায় রাখার জন্য আমরা যা কিছু খেয়ে থাকি তা-ই খাদ্য। খাদ্য ছাড়া আমাদের জীবন ধারণ সম্ভব নয়। দৈনন্দিন কাজকর্ম এবং চলাফেরা করার জন্য সবল, রোগমুক্ত ও সুস্থ শরীর প্রয়োজন।  খাদ্য মূলত বিভিন্ন যৌগের সমন্বয়ে গঠিত। আমরা উদ্ভিদ ও প্রাণী থেকে মূলত খাদ্য পাই। খাদ্য বলতে সেই …

খাদ্য ও পুষ্টি কি বা কাকে বলে?

খাদ্য কাকে বলে? যেসব জৈব উপাদান জীবের দেহ গঠন, ক্ষয়পূরণ এবং শক্তি উৎপাদনে ব্যবহূত হয় সেগুলোকে খাদ্য বলে। অর্থাৎ দেহের কাজকর্মসুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করে দেহকে সুস্থ, সবল করার জন্য যেসব খাদ্য উপাদান প্রয়োজন সেসব উপাদানকেই খাদ্য বলা হয়। শরীরের যথাযথ বৃদ্ধি সাধন এবং শরীরকে সবল রাখার জন্য সঠিক পরিমাণে …

ওজন বাড়ানোর ডায়েট চার্ট এবং খাদ্য তালিকা

লিকলিকে চিকন ও পাতলা শরীর নিয়ে যারা চিন্তায় আছে, পুষ্টি বাড়িতে তাদের জন্য আজ থাকছে পুষ্টিবিদ দারা তৈরি ওজন বাড়ানোর ১০০ ভাগ কার্যকরী একটি ডায়েট চার্ট। সবাই চায় তার শারীরিক গঠন আকর্ষণীয় হোক।  আপনার শরীরের ওজন ঠিক আছে কিনা সেটা পরীক্ষা করার ভালো উপায় হলো ‘বডি মাস ইনডেক্স’ …

ছোলা খাওয়ার উপকারিতা এবং পুষ্টিগুণ

ছোলা বা বুট অত্যন্ত পুষ্টিকর এবং উচ্চমাত্রার প্রোটিনসমৃদ্ধ একটি খাবার। কাঁচা, সেদ্ধ বা তরকারি রান্না করেও খাওয়া যায় এই ছোলা দিয়ে। এটি আমিষের একটি ভাল উৎস। শুধুমাত্র শর্করা, আঁশ বা প্রোটিন হিসেবে নয়, বেশ কিছু ভিটামিন এবং মিনারেলের উৎস হিসেবে ছোলার কোনো জুড়ি নেই। এটি পরিপূর্ণ খাবার হিসেবেও …