শিমের উপকারিতা এবং পুষ্টিগুণ

শিম শীতকালের একটি জনপ্রিয় সবজি। বাংলাদেশের প্রায় সব এলাকায় কম বেশি শিমের চাষ হয়ে থাকে। শিম শুধু রসনাবিলাসেই নয়, নানাবিদ পুষ্টিগুণেও কার্যকর। শিমে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন, ফাইবার, ভিটামিন ও মিনারেল থাকে। শিমের বিচি শরীরে প্রয়োজনীয় প্রোটিনের চাহিদা মেটাতে সাহায্য করে। যাঁরা মাছ, মাংস খান না, তাঁদের জন্য শিমের বিচি শরীরে প্রয়োজনীয় প্রোটিনের চাহিদা মেটাতে পারে। শীতে নিয়মিত শিম খেলে ত্বকও ভালো থাকে। শিম শরীর ঠান্ডা রাখে এছাড়া পরিপাকের জন্য খুব ভালো। শিমে ক্যালোরির পরিমাণও বেশ কম। আসুন আজ আমরা জেনে নেই এই শিমের উপকারিতা এবং পুষ্টিগুণ সম্পর্কে।

শিম

শিম

  • শিমে ক্যালরির পরিমাণ কম থাকে। কিন্তু এতে আছে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন, ফাইবার, ভিটামিন সি, জিংক ও মিনারেল। এগুলো শরীরের জন্য অত্যাবশ্যকীয়।
  • শিমের মধ্যে থাকা খনিজ চুল পড়া রোধে সহায়তা করে এবং চুলের স্বাস্থ্য সুরক্ষায়ও উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখে।
  • শিম পরিপাকের জন্য খুব ভালো। শিমে প্রচুর পরিমাণ ডায়েটারি ফাইবার থাকে তাই কোষ্ঠকাঠিন্যে আক্রান্ত রোগীদের জন্য শিম খুবই উপকারী। এ ছাড়া দেহ ঠান্ডা রাখতেও শিম খাওয়া যায়।
  • শিম রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়। এছাড়া শিম কোলন ক্যানসার প্রতিরোধেও কার্যকর।
  • নিয়মিত শিম খেলে ত্বক ভালো থাকে এবং ত্বকের রোগবালাইও দূরে থাকে।
  • গর্ভবতী মহিলা ও শিশুর অপুষ্টি দূর করতে শিম বেশ উপকারী।
  • শিমে সিলিকনজাতীয় উপাদান থাকে যা হাড় সুগঠিত করে।
  • শিমের মধ্যে থাকা ফাইবার বা আঁশ কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। তাই নিয়মিত শিম খেলে হৃদরোগের ঝুঁকি অনেকটাই কমে আসে। তাছাড়া শিমের বিচিতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং অ্যান্টি ইনফ্ল্যামেটরি উভয় উপাদানই রয়েছে যা হৃদরোগ নিয়ন্ত্রণ করে।
  • শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতেও  সাহায্য করে শিম।

সতর্কতাঃ
শিম খেলে কারও কারও মাইগ্রেনের তীব্রতা বাড়তে পারে। মাথাব্যথা হতে পারে। এ ছাড়া শরীরে অ্যালার্জির প্রতিক্রিয়া দেখা দিলে শিম খাওয়া বাদ দিতে হবে।

Leave a Reply