বাংলা ছায়াছবিঃ পদ্মা নদীর মাঝি

পদ্মা নদীর মাঝি

পদ্মানদীর মাঝি (ইংরেজিPadma Nadir Majhi, হল একটি বাংলা ভাষায় নির্মিত বাংলাদেশ এবং ভারতের যৌথভাবে নির্মিত চলচ্চিত্র। বিখ্যাত বাঙালি কথা সাহিত্যিক মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস থেকে নেয়া হয়েছে। পরবর্তীকালে পরিচালক গৌতম ঘোষ এই উপন্যাস অবলম্বনে বাংলাদেশ-ভারতের যৌথ প্রযোজনায় একটি চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন। এতে অভিনয় করেন – আসাদ, চম্পা, রূপা ব্যানার্জী, উৎপল দত্ত প্রমূখ।

মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদ্মা নদীর মাঝি উপন্যাসের পটভূমি বাংলাদেশের বিক্রমপুর-ফরিদপুর অঞ্চল। এই উপন্যাসের দেবীগঞ্জ ও আমিনবাড়ি পদ্মার তীরবর্তী গ্রাম। উপন্যাসে পদ্মার তীর সংলগ্ন কেতুপুর ও পার্শ্ববর্তী গ্রামের পদ্মার মাঝি ও জেলেদের বিশ্বস্ত জীবনালেখ্য চিত্রিত হয়েছে। পদ্মা বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান নদী। এর ভাঙন প্রবণতা ও প্রলয়ংকরী স্বভাবের কারণে একে বলা হয় ‘কীর্তিনাশা’ বা রাক্ষুসী পদ্মা। এ নদীর তীরের নির্দিষ্ট কোন সীমারেখা নেই। শহর থেকে দূরে এ নদী এলাকার কয়েকটি গ্রামের দীন-দরিদ্র জেলে ও মাঝিদের জীবনচিত্র এতে অঙ্কিত হয়েছে। জেলেপাড়ারর মাঝি ও জেলেদের জীবনের সুখ-দুঃখ, হাসি-কান্না-অভাব-অভিযোগ – যা কিনা প্রকৃতিগতভাবে সেই জীবনধারায় অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ তা এখানে বিশ্বস্ততার সাথে চিত্রিত হয়েছে। তাদের প্রতিটি দিন কাটে দীনহীন অসহায় আর ক্ষুধা-দারিদ্র‍্যের সাথে লড়াই করে। দুবেলা দুমুঠো খেয়ে-পরে বেঁচে থাকাটাই যেন তাদের জীবনের পরম আরাধ্য। এটুকু পেলেই তারা খুশি।

সুত্রঃ উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে। 

Leave a Reply