ওজন বাড়ানোর ডায়েট চার্ট এবং খাদ্য তালিকা

লিকলিকে চিকন ও পাতলা শরীর নিয়ে যারা চিন্তায় আছে, পুষ্টি বাড়িতে তাদের জন্য আজ থাকছে পুষ্টিবিদ দারা তৈরি ওজন বাড়ানোর ১০০ ভাগ কার্যকরী একটি ডায়েট চার্ট। সবাই চায় তার শারীরিক গঠন আকর্ষণীয় হোক।  আপনার শরীরের ওজন ঠিক আছে কিনা সেটা পরীক্ষা করার ভালো উপায় হলো ‘বডি মাস ইনডেক্স’ (BMI) বা উচ্চতা ও ওজনের অনুপাতের হিসাব। সে অনুযায়ী ওজন কম হলে ওজন বাড়ানোর প্রয়োজন। কেননা অতিরিক্ত ওজন যেমন স্বাস্থ্যের জন্য বিপদজনক তেমনি অতিরিক্ত ওজনহীনতাও স্বাস্থ্যের জন্য বিপদ ডেকে আনতে পারে। তাই ওজন বাড়িয়ে সুগঠিত শরীর পাবার আশায় যদি সত্যিই যদি নিজেকে নিয়জিত করে থাকেন, তাহলে আপনার উপকারে আসবে এই ডায়েট চার্ট টি। ওজন বাড়ানোর ডায়েট চার্ট টি তৈরি করার সুবিধার্থে এখানে একজন স্যাম্পল ব্যক্তি কে ধরা হয়েছে।

নামঃ সুহেল রানা (ছদ্ম নাম)

ওজনঃ ৪৮ কেজি

ঊচ্চতাঃ ৫ ফুট ৬ ইঞ্ছি

বয়সঃ ২৫ বছর

কাজ করার ধরনঃ মধ্যম এক্টিভিটি

বিএমাইঃ ১৭.০৭

শারীরিক কন্ডিশনঃ  আন্ডার ওয়েট (বা ওজন হীনতা), স্বাভাবিক অবস্থায় প্রতিদিন ২১০০ ক্যালরির খাবার দরকার।

উদ্দেশ্য বা টারগেটঃ ১৫ কেজি ওজন বাড়ানোর।

প্রতি সপ্তাহে ১ কেজি করে ওজন বাড়ানোর জন্য ৩১০০ ক্যালরির ডায়েট প্লানঃ

ওজন বাড়ানোর ডায়েট চার্ট

ওজন বাড়ানোর ডায়েট চার্ট

স্বাস্থ্য টিপসঃ
ডায়েট এর পাশাপাশি হালকা ব্যায়াম করুন। নিয়মিত ব্যায়াম করলে আপনার হজম এবং ক্ষুধা বাড়বে। ফলে ঠিক সময়ে ক্ষুধা লাগে, এবং তখন খাদ্য গ্রহণের রুচিও বৃদ্ধি পায়। তাছাড়া ব্যায়াম করলে শরীর একটিভ হয় এবং পুষ্টি উপাদানগুলো ঠিক মতো কাজে লাগে। মনে রাখবেন প্রতিদিন হালকা কিছু ব্যায়ামই এর জন্য যথেষ্ট। তাছাড়া সারা দিনে ৮ থেকে ১০ গ্লাস পানি পান করুণ। ওজন বাড়াতে হলে আগে ক্ষুধা বাড়ানোর দরকার। ক্ষুধা বাড়ানোর জন্য পানি এবং হজমে সহায়ক পানীয় বেশ কার্যকরী। তবে, খেতে বসার ঠিক আগে পানি খাবেন না বা খাওয়ার মাঝখানেও পানি খাবেন না। এতে ক্ষুধা নষ্ট হয়ে যায়।

Leave a Reply